ভিয়েতনামে ২০২৪-২৫ অর্থবছরের কফি সরবরাহ এখনো সীমিত। এ কারণে দেশটিতে চলতি সপ্তাহে পণ্যটির দাম কিছুটা বেড়েছে। যদিও দেশটির ব্যবসায়ীরা জানিয়েছেন, দেশে কফির বাণিজ্যিক কার্যক্রম এখনো ধীরগতিতে চলছে। খবর বিজনেস রেকর্ডার।
ভিয়েতনামের সবচেয়ে বড় কফি উৎপাদন অঞ্চল সেন্ট্রাল হাইল্যান্ডস। অঞ্চলটির কৃষকরা চলতি সপ্তাহে প্রতি কেজি কফি ১ লাখ ২০ হাজার থেকে ১ লাখ ২২ হাজার ডংয়ে (৪ ডলার ৭৩ সেন্ট থেকে ৪ ডলার ৮১ সেন্ট) বিক্রি করেছেন, গত সপ্তাহে যা ছিল ১ লাখ ১৮ হাজার ৭০০ থেকে ১ লাখ ১৯ হাজার ৫০০ ডং।
সেন্ট্রাল হাইল্যান্ডসের এক ব্যবসায়ী বলেন, ‘বর্তমানে আবহাওয়া জমি থেকে ফসল সংগ্রহ করার জন্য আরো উপযোগী হয়েছে। লুনার নিউ ইয়ারের আগে সরবরাহ বাড়তে পারে।’
ব্যবসায়ীরো ৫ শতাংশ কালো ও ভাঙা গ্রেড ২ রোবাস্তা কফি মার্চের সরবরাহ চুক্তির তুলনায় ১০০-১৫০ ডলার ছাড়ে অফার করেছিলেন। সাপ্তাহিক লেনদেনের শেষদিন গত বুধবার মার্চের সরবরাহ চুক্তিতে প্রতি টন রোবাস্তা কফির দাম টনে ৬৩ ডলার বা ১ শতাংশ কমে। এ সময় প্রতি টন কফি বেচাকেনা হয়েছে ৪ হাজার ৯৫৬ ডলারে।
ভিয়েতনামের মার্কেন্টাইল এক্সচেঞ্জের ডেপুটি হেড নগুয়েন নগোক কুইন বলেন, ‘ভিয়েতনাম থেকে কফি রফতানির পরিমাণ প্রতি মাসে উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়ছে। এটি ২০২৫ সালের প্রথম প্রান্তিকে কফির দাম ঊর্ধ্বমুখী হওয়া থেকে সাময়িকভাবে বিরত রাখতে পারে।’
এদিকে ভিয়েতনামের কফি রফতানি ২০২৪ সালে আগের বছরের তুলনায় ১৭ দশমিক ২ শতাংশ কমেছে। এ সময় দেশটির মোট রফতানির পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ১৩ লাখ ৪০ হাজার টন। সম্প্রতি এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে ভিয়েতনামের জেনারেল স্ট্যাটিসটিকস অফিস।
গত বছর ভিয়েতনামের কফি রফতানি কমলেও তা থেকে রাজস্ব আয় বেড়েছে। জেনারেল স্ট্যাটিসটিকস অফিস জানায়, এ সময় রাজস্ব আয় আগের বছরের তুলনায় ৩২ দশমিক ৫ শতাংশ বেড়ে ৫৬০ কোটি ডলারে পৌঁছেছে।
সংস্থাটি আরো জানায়, ডিসেম্বরে ভিয়েতনাম মোট ১ লাখ ২৬ হাজার টন কফি রফতানি করেছে, যা আগের বছরের তুলনায় ৩৯ দশমিক ৩ শতাংশ কম।